Dhaka , শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ভাটেরা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী কুলাউড়ায় কংক্রিট ভাঙার ট্রলি উল্টে নিহত ১, আহত ৩ কমলগঞ্জে নিসচার উদ্যোগে ফ্রি হেলমেট বিতরণ ও সংবর্ধনা কুলাউড়ায় যানজট নিরসনে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, হস্তক্ষেপে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি এমপির দীর্ঘ ১৪ মাস পর নাফিসা হত্যা মামলায় নতুন মোড়, পুনঃতদন্তে সিআইডি রুহুল কবির রিজভী বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মনোনীত হওয়ায় এডভোকেট আবেদ রাজার ফুলেল শুভেচ্ছা দুঃসময়ের পরীক্ষিত নেতৃত্বের মূল্যায়ন চান বিএনপি নেতা কর্মধার হাজী ফজলুল হক রুবেল প্রতিবেশীকে ফাঁসাতে নিজের মেয়েকে হত্যা: বাবার মৃত্যুদণ্ড কুলাউড়া কর্মধা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবদল নেতা মোস্তাক আন্তঃকলিমাবাদ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে এনামুল সিদ্দিক একাদশ চ্যাম্পিয়ন

ভাটেরা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী

  • Reporter Name
  • Update Time : ১২ ঘন্টা আগে
  • ৪১ Time View

কুলাউড়া প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৩নং ভাটেরা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও জনকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ভাটেরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করেছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী ভাটেরা ইউনিয়নের হরিপুর সাত্তার শামেলা হাফিজিয়া এবতেদায়ী এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা এবং সাত্তার কমিউনিটি সেন্টার, বরমচালের স্বত্বাধিকারী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, ভাটেরা ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সহযোগিতার নজির রয়েছে।

বিশেষ করে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান, এতিমখানা ও মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন। পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য টিউবওয়েল স্থাপন, মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা, খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতাসহ নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর অবদান রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সময় অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এবার তিনি ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী বলেন, ভাটেরা ইউনিয়ন তাঁর কাছে শুধু একটি নির্বাচনী এলাকা নয়; এটি তাঁর আপনজনদের আবাসস্থল। এই ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে জনসেবামূলক কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “ভাটেরা ইউনিয়নের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা আমি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছি। মসজিদ-মাদ্রাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান, এতিমখানা, মন্দির, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আরও পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, নিরাপদ পানি, সামাজিক নিরাপত্তা, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, যুবসমাজের জন্য খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো—সবকিছুর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই তিনি জনগণের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক সহায়তা আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি।

তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে ভাটেরা ইউনিয়নের সকল মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, শিক্ষা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী আরও বলেন, “জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি ভাটেরা ইউনিয়নের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করছি। আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে এক হয়ে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে ভাটেরা ইউনিয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাই।”

তিনি ভাটেরা ইউনিয়নবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া ও সমর্থন কামনা করে বলেন, জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি আধুনিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভাটেরা ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

ভাটেরা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী

ভাটেরা ইউনিয়নের উন্নয়ন ও জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে চান আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী

Update Time : ১২ ঘন্টা আগে

কুলাউড়া প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৩নং ভাটেরা ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও জনকল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি ভাটেরা ইউনিয়নের সর্বস্তরের মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করেছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী ভাটেরা ইউনিয়নের হরিপুর সাত্তার শামেলা হাফিজিয়া এবতেদায়ী এতিমখানা ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা এবং সাত্তার কমিউনিটি সেন্টার, বরমচালের স্বত্বাধিকারী। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিজ এলাকার বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। স্থানীয়দের মতে, ভাটেরা ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সহযোগিতার নজির রয়েছে।

বিশেষ করে মসজিদ, মাদ্রাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান, এতিমখানা ও মন্দিরসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজে তিনি সহযোগিতা করে আসছেন। পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের জন্য টিউবওয়েল স্থাপন, মেয়েদের বিয়েতে সহযোগিতা, খেলাধুলা ও বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে পৃষ্ঠপোষকতাসহ নানা ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজে তাঁর অবদান রয়েছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন সময় অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কার্যক্রমে তাঁর সম্পৃক্ততা রয়েছে। এসব কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতায় এবার তিনি ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী বলেন, ভাটেরা ইউনিয়ন তাঁর কাছে শুধু একটি নির্বাচনী এলাকা নয়; এটি তাঁর আপনজনদের আবাসস্থল। এই ইউনিয়নের মানুষের সুখ-দুঃখ, সমস্যা ও সম্ভাবনার সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পেলে ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে জনসেবামূলক কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, “ভাটেরা ইউনিয়নের মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা আমি দীর্ঘদিন ধরেই করে আসছি। মসজিদ-মাদ্রাসা, ঈদগাহ, কবরস্থান, এতিমখানা, মন্দির, রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কাজে সাধ্য অনুযায়ী সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতে সুযোগ পেলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে আরও পরিকল্পিতভাবে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, একটি ইউনিয়নের প্রকৃত উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট বা অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যোগাযোগ, নিরাপদ পানি, সামাজিক নিরাপত্তা, ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন, যুবসমাজের জন্য খেলাধুলার সুযোগ সৃষ্টি এবং অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো—সবকিছুর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। এ লক্ষ্যেই তিনি জনগণের মতামত ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী বলেন, ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের মানুষের সমস্যা সরাসরি শুনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে পিছিয়ে থাকা এলাকাগুলোর যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ বৃদ্ধি এবং অসহায় মানুষের জন্য সামাজিক সহায়তা আরও কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিতে চান তিনি।

তিনি দল-মত, ধর্ম-বর্ণ ও শ্রেণি-পেশার ঊর্ধ্বে উঠে ভাটেরা ইউনিয়নের সকল মানুষের জন্য কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রেখে খেলাধুলা, শিক্ষা ও ইতিবাচক সামাজিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন।

আলহাজ্ব আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী আরও বলেন, “জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় শক্তি। আমি ভাটেরা ইউনিয়নের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া, সমর্থন ও ভালোবাসা প্রত্যাশা করছি। আসুন, আমরা সবাই একসঙ্গে এক হয়ে উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে ভাটেরা ইউনিয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাই।”

তিনি ভাটেরা ইউনিয়নবাসীর কাছে তাঁর জন্য দোয়া ও সমর্থন কামনা করে বলেন, জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি আধুনিক, উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভাটেরা ইউনিয়ন গড়ে তোলা সম্ভব।