কুলাউড়া প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতিতে দীর্ঘদিনের ত্যাগ, সংগ্রাম ও অবদানের মূল্যায়ন চান কর্মধা ইউনিয়নের তরুণ সমাজসেবক ও বিএনপি নেতা হাজী ফজলুল হক রুবেল। আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের যথাযথ মূল্যায়নের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
স্থানীয় দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণের কারণে অতীতে হাজী ফজলুল হক রুবেল একাধিক রাজনৈতিক হামলা ও মামলার শিকার হয়েছেন। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে একপর্যায়ে তাকে প্রবাসে পাড়ি জমাতে হলেও দলীয় রাজনীতি ও স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।
প্রবাসে অবস্থানকালেও তিনি উপজেলার শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে আর্থিক ও নৈতিকভাবে সহযোগিতা করে গেছেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
হাজী ফজলুল হক রুবেল বলেন, “পদ-পদবি আমার কাছে মুখ্য নয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শ এবং বিএনপির মূলনীতি ধারণ করেই রাজনীতি করে আসছি। দুঃসময়ে প্রবাসে থেকেও দলের নেতাকর্মীদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। ভবিষ্যতেও স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে কাজ করে যেতে চাই।”
তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে ত্যাগ ও সংগ্রামের মূল্যায়ন হলে নতুন প্রজন্মের নেতাকর্মীরা আরও উৎসাহিত হবে। দলের হাইকমান্ড যদি রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা এবং এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে সুসম্পর্ককে বিবেচনায় নেয়, তাহলে তিনি আগামী দিনে দল ও এলাকার মানুষের জন্য আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার সুযোগ পাবেন বলে আশাবাদী।
হাজী ফজলুল হক রুবেল বলেন, “বিএনপির দুঃসময়ে যারা মাঠে ছিলেন, তাদের মূল্যায়ন করা হলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে। আমি দলীয় সিদ্ধান্তের প্রতি আস্থাশীল এবং দলের যে কোনো দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের জন্য প্রস্তুত।”
স্থানীয় নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাকর্মীদের অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে আগামী দিনে কর্মধা ইউনিয়নসহ কুলাউড়ার তৃণমূলে বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

Reporter Name 
















