Dhaka , বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
লন্ডনে কুলাউড়া ইউনিয়নভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট কুলাউড়ায় মাদক সেবনে বাধা-ছোট ভাইয়ের আঘাতে বড় ভাই আহত নবগঠিত মুরারিচাঁদ কলেজ বেসরকারি কর্মচারী পরিষদকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানাল এমসি কলেজ ছাত্রদল ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সানিয়া আক্তার রূপালীর লন্ডনে আন্তঃকুলাউড়া ফুটবলের জমজমাট আসর গুড নেইবার্স মৌলভীবাজার সিডিপি এর কমিউনিটি সংলাপ ও গণমাধ্যম প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত। শ্রীমঙ্গলে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে নির্বাচনী মাঠে, ভাটেরার উন্নয়নে কাজ করতে চান আব্দুল জব্বার সিদ্দিকী মৌলভীবাজারে কিশোরীকে পাঁচ দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩ কমলগঞ্জ রেমিটেন্স যোদ্ধা মানবিক ফাউন্ডেশনে সদস্য জামিলা খাতুনে প্রবাস গমন উপলক্ষে সংবর্ধনা প্রদান।
কোনো পদই ছোট নয়—মানুষের সেবা করার প্রতিটি সুযোগই সম্মানের

ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সানিয়া আক্তার রূপালীর

কুলাউড়া টুডে ডেস্ক:

‘কোনো পদই ছোট নয়—মানুষের সেবা করার প্রতিটি সুযোগই সম্মানের।’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৩ নম্বর ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সদস্যা (মেম্বার) পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবী সানিয়া আক্তার রূপালী।

তিনি কলিমাবাদ, ভাটেরা এলাকার মরহুম দেলোয়ার হুসেন পাটোয়ারীর মেয়ে। শিক্ষাজীবনে ভাটেরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি, ঢাকার শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি এবং গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে ইংলিশ ও আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি আইন বিষয়ে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।

নিজের শিক্ষাগত ও পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার আগ্রহ থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান সানিয়া আক্তার রূপালী।

‘স্থানীয় সরকার থেকেই আমার স্বপ্নের পথচলা শুরু হোক’

সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, “কোনো পদই ছোট নয়। মানুষের সেবা করার প্রতিটি সুযোগই সম্মানের। আমার স্বপ্নের পথচলা শুরু হোক স্থানীয় সরকার থেকে। ইনশাআল্লাহ, একদিন জাতীয় পর্যায়েও মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেতে চাই।”

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যা, সরকারি সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক নানা বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা রয়েছে। তাই একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্বশীলতা, সততা ও জবাবদিহিতার ওপর মানুষের সেবা পাওয়ার বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করে।

তার ভাষায়, “আমি একজন আইনজীবী হয়েও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টিকে ছোট করে দেখছি না। বরং আমি মনে করি, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন জনপ্রতিনিধি যদি সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং সরকারি বরাদ্দ সঠিকভাবে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেন, তাহলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।”

সরকারি বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যয়

প্রার্থী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সরকারি বরাদ্দ ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চান। একই সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচারের বিষয়টিও সামনে রাখতে চান।

তিনি বলেন, “চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা যদি মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে বিতরণ করেন এবং মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার করেন, তাহলে দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব। আমি দায়িত্ব পেলে মানুষের অধিকার ও প্রাপ্যতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাই—এটাই আমার প্রত্যয়।”

তবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন সদস্যের আইনগত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কথা শোনা, সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা এবং পরিষদের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই হবে তার অন্যতম লক্ষ্য।

নারী নেতৃত্বে আগ্রহ

একজন নারী আইনজীবী হিসেবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়াকে তিনি নারীদের জনসম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের একটি সুযোগ হিসেবেও দেখছেন। তার মতে, সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে মানুষের নানা সমস্যা ও বাস্তবতা আরও বিস্তৃতভাবে জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে উঠে আসতে পারে।

সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা ছাড়া কোনো জনপ্রতিনিধির পক্ষে একা কাজ করা সম্ভব নয়। তাই নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো জানার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচয়

সানিয়া আক্তার রূপালী বিবাহিত। তার স্বামী মোহাম্মদ আল মামুন বাংলাদেশ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। তাদের একমাত্র সন্তান ছেলে আজমান ইউসুফ, বয়স দুই বছর।

স্থানীয়ভাবে তিনি ভাটেরার কলিমাবাদ এলাকার সন্তান হিসেবে পরিচিত। নিজের জন্মস্থান ও এলাকার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে সামনে রেখে তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের কাছে সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।

ভোটারদের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা

আসন্ন নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, “আমি আমার ওয়ার্ড তথা ইউনিয়নবাসীর সবার কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি। আমাকে সবাই তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে মূল্যায়ন করবেন—এই প্রত্যাশা রাখি।”

তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব তার কাছে শুধু একটি পদ বা পরিচয়ের বিষয় নয়; বরং এটি মানুষের পাশে থাকার একটি দায়িত্ব। নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে তিনি এলাকার মানুষের সমস্যা, নাগরিক সেবা, উন্নয়ন ও প্রাপ্য অধিকার নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ও জনসম্পৃক্ততার পথচলা শুরু করতে চান বলেও জানান সানিয়া আক্তার রূপালী। ভবিষ্যতে মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে বৃহত্তর পরিসরে জনসেবায় যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩ নম্বর ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তার প্রার্থিতা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কী ধরনের সাড়া সৃষ্টি করে, তা জানতে নির্বাচনী কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা স্পষ্ট হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

লন্ডনে কুলাউড়া ইউনিয়নভিত্তিক ফুটবল টুর্নামেন্ট

কোনো পদই ছোট নয়—মানুষের সেবা করার প্রতিটি সুযোগই সম্মানের

ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা সানিয়া আক্তার রূপালীর

Update Time : ১৫ ঘন্টা আগে

কুলাউড়া টুডে ডেস্ক:

‘কোনো পদই ছোট নয়—মানুষের সেবা করার প্রতিটি সুযোগই সম্মানের।’—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ৩ নম্বর ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড থেকে সদস্যা (মেম্বার) পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আইনজীবী সানিয়া আক্তার রূপালী।

তিনি কলিমাবাদ, ভাটেরা এলাকার মরহুম দেলোয়ার হুসেন পাটোয়ারীর মেয়ে। শিক্ষাজীবনে ভাটেরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এসএসসি, ঢাকার শহীদ পুলিশ স্মৃতি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি এবং গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ থেকে ইংলিশ ও আইন বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি আইন বিষয়ে এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।

নিজের শিক্ষাগত ও পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা এবং এলাকার উন্নয়ন ও জনসেবায় কাজ করার আগ্রহ থেকেই ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান সানিয়া আক্তার রূপালী।

‘স্থানীয় সরকার থেকেই আমার স্বপ্নের পথচলা শুরু হোক’

সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, “কোনো পদই ছোট নয়। মানুষের সেবা করার প্রতিটি সুযোগই সম্মানের। আমার স্বপ্নের পথচলা শুরু হোক স্থানীয় সরকার থেকে। ইনশাআল্লাহ, একদিন জাতীয় পর্যায়েও মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেতে চাই।”

তিনি বলেন, ইউনিয়ন পরিষদ দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন বিভিন্ন সমস্যা, সরকারি সেবা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং সামাজিক নানা বিষয়ে ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা রয়েছে। তাই একজন জনপ্রতিনিধির দায়িত্বশীলতা, সততা ও জবাবদিহিতার ওপর মানুষের সেবা পাওয়ার বিষয়টি অনেকাংশে নির্ভর করে।

তার ভাষায়, “আমি একজন আইনজীবী হয়েও ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যা পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়টিকে ছোট করে দেখছি না। বরং আমি মনে করি, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন জনপ্রতিনিধি যদি সততা ও ন্যায়পরায়ণতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন এবং সরকারি বরাদ্দ সঠিকভাবে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেন, তাহলে সাধারণ মানুষ উপকৃত হবে।”

সরকারি বরাদ্দে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের প্রত্যয়

প্রার্থী হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, নির্বাচিত হলে তিনি সরকারি বরাদ্দ ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা যথাযথভাবে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে গুরুত্ব দিতে চান। একই সঙ্গে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব পালনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচারের বিষয়টিও সামনে রাখতে চান।

তিনি বলেন, “চেয়ারম্যান ও মেম্বাররা যদি মানুষের জন্য বরাদ্দ সরকারি সুযোগ-সুবিধা সঠিকভাবে বিতরণ করেন এবং মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার করেন, তাহলে দুর্নীতি কমিয়ে আনা সম্ভব। আমি দায়িত্ব পেলে মানুষের অধিকার ও প্রাপ্যতার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে চাই—এটাই আমার প্রত্যয়।”

তবে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় একজন সদস্যের আইনগত ও প্রশাসনিক ক্ষমতার সীমাবদ্ধতার বিষয়টি মাথায় রেখে তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি হিসেবে মানুষের কথা শোনা, সমস্যাগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরা এবং পরিষদের মাধ্যমে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়াই হবে তার অন্যতম লক্ষ্য।

নারী নেতৃত্বে আগ্রহ

একজন নারী আইনজীবী হিসেবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণের ঘোষণা দেওয়াকে তিনি নারীদের জনসম্পৃক্ততা ও নেতৃত্বের একটি সুযোগ হিসেবেও দেখছেন। তার মতে, সমাজ ও রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়লে মানুষের নানা সমস্যা ও বাস্তবতা আরও বিস্তৃতভাবে জনপ্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে উঠে আসতে পারে।

সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, মানুষের ভালোবাসা, দোয়া ও সহযোগিতা ছাড়া কোনো জনপ্রতিনিধির পক্ষে একা কাজ করা সম্ভব নয়। তাই নির্বাচনী এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে তাদের সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো জানার চেষ্টা করবেন বলে জানান তিনি।

ব্যক্তিগত ও পারিবারিক পরিচয়

সানিয়া আক্তার রূপালী বিবাহিত। তার স্বামী মোহাম্মদ আল মামুন বাংলাদেশ পুলিশের সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত। তাদের একমাত্র সন্তান ছেলে আজমান ইউসুফ, বয়স দুই বছর।

স্থানীয়ভাবে তিনি ভাটেরার কলিমাবাদ এলাকার সন্তান হিসেবে পরিচিত। নিজের জন্মস্থান ও এলাকার মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে সামনে রেখে তিনি আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মানুষের কাছে সমর্থন প্রত্যাশা করছেন।

ভোটারদের কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা

আসন্ন নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতার বিষয়ে সানিয়া আক্তার রূপালী বলেন, “আমি আমার ওয়ার্ড তথা ইউনিয়নবাসীর সবার কাছে দোয়া, ভালোবাসা ও সহযোগিতা কামনা করছি। আমাকে সবাই তাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে মূল্যায়ন করবেন—এই প্রত্যাশা রাখি।”

তিনি আরও বলেন, জনপ্রতিনিধিত্ব তার কাছে শুধু একটি পদ বা পরিচয়ের বিষয় নয়; বরং এটি মানুষের পাশে থাকার একটি দায়িত্ব। নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ পেলে তিনি এলাকার মানুষের সমস্যা, নাগরিক সেবা, উন্নয়ন ও প্রাপ্য অধিকার নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করবেন।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার মাধ্যমে তার রাজনৈতিক ও জনসম্পৃক্ততার পথচলা শুরু করতে চান বলেও জানান সানিয়া আক্তার রূপালী। ভবিষ্যতে মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন পেলে বৃহত্তর পরিসরে জনসেবায় যুক্ত হওয়ার আকাঙ্ক্ষার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে ৩ নম্বর ভাটেরা ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে তার প্রার্থিতা স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে কী ধরনের সাড়া সৃষ্টি করে, তা জানতে নির্বাচনী কার্যক্রম আরও এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা স্পষ্ট হবে।