Dhaka , মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সুদূর আমেরিকা থেকে নাড়ির টানে ভাটেরায়: চেয়ারম্যান পদে আব্দুল জব্বার সিদ্দিকীর প্রার্থিতা ঘোষণা, এলাকায় ব্যাপক উদ্দীপনা মানবসেবার হাত বাড়িয়ে আলোচনায় কামাল চৌধুরী: ভাটেরার জনপদে পরিবর্তনের হাওয়া ভাটেরাকে একটি আদর্শ পরিবার হিসেবে গড়তে চাই” — মাওলানা সেফুল। কুলাউড়ায় তিন প্রেসক্লাবকে ঐক্যবদ্ধ করার উদ্যোগ নিলেন এমপি শওকতুল ইসলাম ‎আলীনগর ইউনিয়ন ছাত্রশিবিরে উদ্যোগে এসএসসি/দাখিল পরীক্ষার্থীদের মাঝে পরীক্ষা উপকরণ বিতরণ। কুলাউড়ায় ৪কোটি টাকা ব্যয়ে ড্রেন ও রাস্তার উন্নয়ন কাজের উদ্ধোধন মাদ্রাসা বাজারে নির্বাচনী উৎসব: ১টা থেকে শুরু হচ্ছে ভোটগ্রহণ এম সাইফুর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন হুসামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী শ্রীমঙ্গলে অপহরণের পর সাক্ষীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেপ্তার

মানবসেবার হাত বাড়িয়ে আলোচনায় কামাল চৌধুরী: ভাটেরার জনপদে পরিবর্তনের হাওয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ১৯ ঘন্টা আগে
  • ৩৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:কুলাউড়া

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লন্ডন প্রবাসী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক কামাল চৌধুরী। কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি নয়, বরং গত কয়েক দশকে এলাকার ধর্মীয়, শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে তার নীরব বিপ্লব তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।

সর্বস্তরের প্রতিষ্ঠানে উনার ছোঁয়া
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাটেরা ইউনিয়নের এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে কামাল চৌধুরীর অনুদান বা সহযোগিতার ছোঁয়া লাগেনি। মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহর উন্নয়ন থেকে শুরু করে মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার কাজেও তিনি মুক্তহস্তে দান করে আসছেন। শিক্ষার প্রসারে স্কুল ও কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা দীর্ঘদিনের। এমনকি স্থানীয় বাজারগুলোর পরিবেশ উন্নয়নেও তিনি বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করেছেন।

অসহায় মানুষের পরম বন্ধু
রাজনীতির মাঠে নামার অনেক আগে থেকেই কামাল চৌধুরী নিজেকে নিয়োজিত করেছেন আর্তমানবতার সেবায়। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রান্তিক মানুষের জন্য তার অবদান চোখে পড়ার মতো:
বিশুদ্ধ পানি: সুপেয় পানির সংকট নিরসনে তিনি অসংখ্য দরিদ্র পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন।
আবাসন সহায়তা: মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই এমন বহু মানুষের ঘর-বাড়ি মেরামত ও নতুন ঘর নির্মাণে তিনি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।

অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন শত শত অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে তিনি এলাকায় ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

ভাটেরা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন: “কামাল চৌধুরী এমন একজন মানুষ যিনি দান করেন প্রচারের আশায় নয়, বরং ইবাদত হিসেবে। আমরা দেখেছি বিপদে পড়লে তাকে বললে তিনি কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরান না।

অন্য এক স্থানীয় মুরুব্বি জানান, কবরস্থান ও ঈদগাহর মতো স্পর্শকাতর জায়গাগুলোর উন্নয়নে তার অবদান এলাকার মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই কামাল চৌধুরীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা অন্য প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ যখন ব্যক্তিগত উদ্যোগে এত বিশাল উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সরকারি বরাদ্দ ও ব্যক্তিগত তহবিলের সমন্বয়ে ভাটেরাকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব।

যদিও কামাল চৌধুরী এখনো প্রবাসে অবস্থান করছেন, তবে এলাকায় তার সমর্থকদের তৎপরতা তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, “ভোটের রাজনীতিতে নয়, আমরা সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী একজনকে চাই।” আর সেই আস্থার প্রতীক হিসেবেই তারা কামাল চৌধুরীকে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান।
ভাটেরার আকাশে-বাতাসে এখন একটাই প্রশ্ন—সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জনসেবার এই ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কামাল চৌধুরী কি বীরের বেশে নির্বাচনী ময়দানে ফিরছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সুদূর আমেরিকা থেকে নাড়ির টানে ভাটেরায়: চেয়ারম্যান পদে আব্দুল জব্বার সিদ্দিকীর প্রার্থিতা ঘোষণা, এলাকায় ব্যাপক উদ্দীপনা

মানবসেবার হাত বাড়িয়ে আলোচনায় কামাল চৌধুরী: ভাটেরার জনপদে পরিবর্তনের হাওয়া

Update Time : ১৯ ঘন্টা আগে

নিজস্ব প্রতিবেদক:কুলাউড়া

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লন্ডন প্রবাসী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক কামাল চৌধুরী। কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি নয়, বরং গত কয়েক দশকে এলাকার ধর্মীয়, শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে তার নীরব বিপ্লব তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।

সর্বস্তরের প্রতিষ্ঠানে উনার ছোঁয়া
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাটেরা ইউনিয়নের এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে কামাল চৌধুরীর অনুদান বা সহযোগিতার ছোঁয়া লাগেনি। মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহর উন্নয়ন থেকে শুরু করে মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার কাজেও তিনি মুক্তহস্তে দান করে আসছেন। শিক্ষার প্রসারে স্কুল ও কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা দীর্ঘদিনের। এমনকি স্থানীয় বাজারগুলোর পরিবেশ উন্নয়নেও তিনি বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করেছেন।

অসহায় মানুষের পরম বন্ধু
রাজনীতির মাঠে নামার অনেক আগে থেকেই কামাল চৌধুরী নিজেকে নিয়োজিত করেছেন আর্তমানবতার সেবায়। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রান্তিক মানুষের জন্য তার অবদান চোখে পড়ার মতো:
বিশুদ্ধ পানি: সুপেয় পানির সংকট নিরসনে তিনি অসংখ্য দরিদ্র পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন।
আবাসন সহায়তা: মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই এমন বহু মানুষের ঘর-বাড়ি মেরামত ও নতুন ঘর নির্মাণে তিনি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।

অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন শত শত অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে তিনি এলাকায় ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

ভাটেরা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন: “কামাল চৌধুরী এমন একজন মানুষ যিনি দান করেন প্রচারের আশায় নয়, বরং ইবাদত হিসেবে। আমরা দেখেছি বিপদে পড়লে তাকে বললে তিনি কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরান না।

অন্য এক স্থানীয় মুরুব্বি জানান, কবরস্থান ও ঈদগাহর মতো স্পর্শকাতর জায়গাগুলোর উন্নয়নে তার অবদান এলাকার মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই কামাল চৌধুরীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা অন্য প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ যখন ব্যক্তিগত উদ্যোগে এত বিশাল উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সরকারি বরাদ্দ ও ব্যক্তিগত তহবিলের সমন্বয়ে ভাটেরাকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব।

যদিও কামাল চৌধুরী এখনো প্রবাসে অবস্থান করছেন, তবে এলাকায় তার সমর্থকদের তৎপরতা তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, “ভোটের রাজনীতিতে নয়, আমরা সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী একজনকে চাই।” আর সেই আস্থার প্রতীক হিসেবেই তারা কামাল চৌধুরীকে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান।
ভাটেরার আকাশে-বাতাসে এখন একটাই প্রশ্ন—সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জনসেবার এই ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কামাল চৌধুরী কি বীরের বেশে নির্বাচনী ময়দানে ফিরছেন।