Dhaka , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
দলীয় সমর্থন পেলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবেন আকমল হোসেন তালুকদার কুলাউড়ায় ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর মরদেহ উদ্ধার তমদ্দুন মজলিসশের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্রস্ততি সভা অনুষ্ঠিত। শামীম আহমদ এর কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা ভাটেরা ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে প্রবাসী শামীম আহমদকে সংবর্ধনা মৌলভীবাজারে অসচ্ছল মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠিত। সিলেট প্রেসক্লাবের আয়োজনে সাংবাদিক বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুলাউড়া বাদে ভুকশিমইল-শশারকান্দি যুব কমিটির পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান প্রার্থী রাজনকে সংবর্ধনা কুলাউড়ায় প্রবাসী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত জয়চন্ডী ইউনিয়নে বিএনপি থেকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী সামাদ খাঁন রাজু

মানবসেবার হাত বাড়িয়ে আলোচনায় কামাল চৌধুরী: ভাটেরার জনপদে পরিবর্তনের হাওয়া

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • ৩৯৪ Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক:কুলাউড়া

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লন্ডন প্রবাসী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক কামাল চৌধুরী। কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি নয়, বরং গত কয়েক দশকে এলাকার ধর্মীয়, শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে তার নীরব বিপ্লব তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।

সর্বস্তরের প্রতিষ্ঠানে উনার ছোঁয়া
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাটেরা ইউনিয়নের এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে কামাল চৌধুরীর অনুদান বা সহযোগিতার ছোঁয়া লাগেনি। মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহর উন্নয়ন থেকে শুরু করে মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার কাজেও তিনি মুক্তহস্তে দান করে আসছেন। শিক্ষার প্রসারে স্কুল ও কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা দীর্ঘদিনের। এমনকি স্থানীয় বাজারগুলোর পরিবেশ উন্নয়নেও তিনি বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করেছেন।

অসহায় মানুষের পরম বন্ধু
রাজনীতির মাঠে নামার অনেক আগে থেকেই কামাল চৌধুরী নিজেকে নিয়োজিত করেছেন আর্তমানবতার সেবায়। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রান্তিক মানুষের জন্য তার অবদান চোখে পড়ার মতো:
বিশুদ্ধ পানি: সুপেয় পানির সংকট নিরসনে তিনি অসংখ্য দরিদ্র পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন।
আবাসন সহায়তা: মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই এমন বহু মানুষের ঘর-বাড়ি মেরামত ও নতুন ঘর নির্মাণে তিনি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।

অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন শত শত অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে তিনি এলাকায় ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

ভাটেরা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন: “কামাল চৌধুরী এমন একজন মানুষ যিনি দান করেন প্রচারের আশায় নয়, বরং ইবাদত হিসেবে। আমরা দেখেছি বিপদে পড়লে তাকে বললে তিনি কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরান না।

অন্য এক স্থানীয় মুরুব্বি জানান, কবরস্থান ও ঈদগাহর মতো স্পর্শকাতর জায়গাগুলোর উন্নয়নে তার অবদান এলাকার মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই কামাল চৌধুরীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা অন্য প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ যখন ব্যক্তিগত উদ্যোগে এত বিশাল উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সরকারি বরাদ্দ ও ব্যক্তিগত তহবিলের সমন্বয়ে ভাটেরাকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব।

যদিও কামাল চৌধুরী এখনো প্রবাসে অবস্থান করছেন, তবে এলাকায় তার সমর্থকদের তৎপরতা তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, “ভোটের রাজনীতিতে নয়, আমরা সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী একজনকে চাই।” আর সেই আস্থার প্রতীক হিসেবেই তারা কামাল চৌধুরীকে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান।
ভাটেরার আকাশে-বাতাসে এখন একটাই প্রশ্ন—সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জনসেবার এই ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কামাল চৌধুরী কি বীরের বেশে নির্বাচনী ময়দানে ফিরছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

দলীয় সমর্থন পেলে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হবেন আকমল হোসেন তালুকদার

মানবসেবার হাত বাড়িয়ে আলোচনায় কামাল চৌধুরী: ভাটেরার জনপদে পরিবর্তনের হাওয়া

Update Time : ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক:কুলাউড়া

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন লন্ডন প্রবাসী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক কামাল চৌধুরী। কেবল রাজনৈতিক পরিচিতি নয়, বরং গত কয়েক দশকে এলাকার ধর্মীয়, শিক্ষা ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে তার নীরব বিপ্লব তাকে সাধারণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে দিয়েছে।

সর্বস্তরের প্রতিষ্ঠানে উনার ছোঁয়া
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ভাটেরা ইউনিয়নের এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে কামাল চৌধুরীর অনুদান বা সহযোগিতার ছোঁয়া লাগেনি। মসজিদ, মাদ্রাসা ও ঈদগাহর উন্নয়ন থেকে শুরু করে মন্দির ও শ্মশানের সংস্কার কাজেও তিনি মুক্তহস্তে দান করে আসছেন। শিক্ষার প্রসারে স্কুল ও কলেজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে তার বিশেষ ভূমিকা দীর্ঘদিনের। এমনকি স্থানীয় বাজারগুলোর পরিবেশ উন্নয়নেও তিনি বিভিন্ন সময় ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহায়তা প্রদান করেছেন।

অসহায় মানুষের পরম বন্ধু
রাজনীতির মাঠে নামার অনেক আগে থেকেই কামাল চৌধুরী নিজেকে নিয়োজিত করেছেন আর্তমানবতার সেবায়। ইউনিয়নের প্রতিটি ওয়ার্ডের প্রান্তিক মানুষের জন্য তার অবদান চোখে পড়ার মতো:
বিশুদ্ধ পানি: সুপেয় পানির সংকট নিরসনে তিনি অসংখ্য দরিদ্র পরিবারকে ব্যক্তিগতভাবে টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন।
আবাসন সহায়তা: মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই এমন বহু মানুষের ঘর-বাড়ি মেরামত ও নতুন ঘর নির্মাণে তিনি সরাসরি আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করেছেন।

অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে পারছেন না এমন শত শত অসহায় মানুষের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে তিনি এলাকায় ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

ভাটেরা বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন: “কামাল চৌধুরী এমন একজন মানুষ যিনি দান করেন প্রচারের আশায় নয়, বরং ইবাদত হিসেবে। আমরা দেখেছি বিপদে পড়লে তাকে বললে তিনি কখনো কাউকে খালি হাতে ফেরান না।

অন্য এক স্থানীয় মুরুব্বি জানান, কবরস্থান ও ঈদগাহর মতো স্পর্শকাতর জায়গাগুলোর উন্নয়নে তার অবদান এলাকার মানুষ সারাজীবন মনে রাখবে।

নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণার আগেই কামাল চৌধুরীকে ঘিরে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত আলোচনা অন্য প্রার্থীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন মানুষ যখন ব্যক্তিগত উদ্যোগে এত বিশাল উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারেন, তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের সরকারি বরাদ্দ ও ব্যক্তিগত তহবিলের সমন্বয়ে ভাটেরাকে একটি মডেল ইউনিয়নে রূপান্তর করা সম্ভব।

যদিও কামাল চৌধুরী এখনো প্রবাসে অবস্থান করছেন, তবে এলাকায় তার সমর্থকদের তৎপরতা তুঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, “ভোটের রাজনীতিতে নয়, আমরা সেবার রাজনীতিতে বিশ্বাসী একজনকে চাই।” আর সেই আস্থার প্রতীক হিসেবেই তারা কামাল চৌধুরীকে আসন্ন নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দেখতে চান।
ভাটেরার আকাশে-বাতাসে এখন একটাই প্রশ্ন—সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে জনসেবার এই ধারাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে কামাল চৌধুরী কি বীরের বেশে নির্বাচনী ময়দানে ফিরছেন।