Dhaka , শুক্রবার, ২১ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
এবার কঠোর নজরদারিতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল: চিকিৎসাসেবার মান ফেরাতে মন্ত্রণালয়ের তদারকি। আনারস মার্কার প্রতীক পেয়েছেন আদমপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ আলাল ইসলাম বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভাটেরা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত চার শিক্ষককে এসএসসি ২০১৭ ব্যাচের সংবর্ধনা প্রদান আদমপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোঃ আলাল ইসলাম মনোনয়ন দাখিল। কুলাউড়ায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওষুধ কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধির মৃত্যু অসুস্থ বিএনপি নেতাকে দেখতে গেলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী সিরাজুল ইসলাম রাজন গোলাপগঞ্জে সাংবাদিক পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ, হাসপাতালের ঘটনায় বিতর্ক ভাটেরা উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সংবর্ধনা ২০ আগস্ট ভাটেরায় পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক মতবিনিময় সভা

এবার কঠোর নজরদারিতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল: চিকিৎসাসেবার মান ফেরাতে মন্ত্রণালয়ের তদারকি।

  • Reporter Name
  • Update Time : ৫ ঘন্টা আগে
  • ১৪ Time View

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদার এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করার অংশ হিসেবে মৌলভীবাজার জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোর সার্বিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তামান্না তাসনীমকে।

গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী সচিব খন্দকার রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতাল তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়, যার অধীনে মৌলভীবাজারের দায়িত্ব পান মিজ তামান্না তাসনীম।

এই উদ্যোগের ফলে মৌলভীবাজারের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় আসবে।

তদারকি কর্মকর্তা যেসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করবেন:
উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা: চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা এবং কর্মস্থলে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ।

পরিবেশ ও অবকাঠামো: হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, ভৌত অবকাঠামোগত অবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ।

জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি: জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, মাতৃত্ব ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি কার্যক্রমের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ।

প্রশাসনিক সমন্বয়: জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে অন্তত একটি বাধ্যতামূলক পরিদর্শন সম্পন্ন করতে হবে। পরিদর্শনে উঠে আসা সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ উল্লেখ করে পরবর্তী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখায় লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজ তামান্না তাসনীম ৩৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখায় যোগদানের আগে তিনি মাঠ প্রশাসনে গাজীপুরের কাপাসিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মাঠ প্রশাসনে তাঁর এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে মৌলভীবাজারের সরকারি হাসপাতালগুলোর দীর্ঘদিনের জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি ও ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের পথ সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

এবার কঠোর নজরদারিতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল: চিকিৎসাসেবার মান ফেরাতে মন্ত্রণালয়ের তদারকি।

এবার কঠোর নজরদারিতে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল: চিকিৎসাসেবার মান ফেরাতে মন্ত্রণালয়ের তদারকি।

Update Time : ৫ ঘন্টা আগে

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলোর চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদার এবং জনসেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে বড় পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক নজরদারি জোরদার করার অংশ হিসেবে মৌলভীবাজার জেলার সরকারি হাসপাতালগুলোর সার্বিক তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব তামান্না তাসনীমকে।

গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের প্রশাসন-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। সিনিয়র সহকারী সচিব খন্দকার রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত আদেশে দেশের বিভিন্ন জেলার হাসপাতাল তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা প্রকাশ করা হয়, যার অধীনে মৌলভীবাজারের দায়িত্ব পান মিজ তামান্না তাসনীম।

এই উদ্যোগের ফলে মৌলভীবাজারের সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন থেকে সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় নিয়মিত পরিদর্শনের আওতায় আসবে।

তদারকি কর্মকর্তা যেসব বিষয় পর্যবেক্ষণ করবেন:
উপস্থিতি ও শৃঙ্খলা: চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীদের ডিজিটাল হাজিরা এবং কর্মস্থলে সময়মতো উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ।

পরিবেশ ও অবকাঠামো: হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, ভৌত অবকাঠামোগত অবস্থা এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ।

জনস্বাস্থ্য কর্মসূচি: জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধ, মাতৃত্ব ও শিশুমৃত্যু হ্রাস, প্রবীণ স্বাস্থ্যসেবা এবং পুষ্টি কার্যক্রমের অগ্রগতি সরাসরি পর্যবেক্ষণ।

প্রশাসনিক সমন্বয়: জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সাথে সমন্বয় করে সেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে জানানো হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে প্রতি মাসে অন্তত একটি বাধ্যতামূলক পরিদর্শন সম্পন্ন করতে হবে। পরিদর্শনে উঠে আসা সমস্যা, পর্যবেক্ষণ ও বাস্তবায়নযোগ্য সুপারিশ উল্লেখ করে পরবর্তী মাসের ৭ তারিখের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখায় লিখিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিজ তামান্না তাসনীম ৩৫তম বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের একজন অভিজ্ঞ কর্মকর্তা। সচিবালয়ে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা-২ শাখায় যোগদানের আগে তিনি মাঠ প্রশাসনে গাজীপুরের কাপাসিয়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং বিভিন্ন উপজেলায় সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

মাঠ প্রশাসনে তাঁর এই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার কারণে মৌলভীবাজারের সরকারি হাসপাতালগুলোর দীর্ঘদিনের জনবল সংকট, চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি ও ব্যবস্থাপনাগত সীমাবদ্ধতাগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের পথ সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।