
নিজস্ব প্রতিবেদক :মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরা ইউনিয়ন পরিষদের আসন্ন নির্বাচনে নিজের প্রার্থিতা ও সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও দানবীর মাওলানা শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী (সেফুল)। দীর্ঘ সাড়ে তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে এলাকার গণমানুষের সেবায় নিয়োজিত এই ব্যক্তিত্ব এবার পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে মাঠে নামার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন।
শিক্ষা ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে অনন্য অবদান
মাওলানা সেফুল কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি ভাটেরার মদিনাতুল উলুম সাইফুল তাহমিনা ফাজিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা। এছাড়াও তিনি এলাকায় অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল, কলেজ, ঈদগাহ ও কবরস্থান প্রতিষ্ঠা করে শিক্ষানুরাগী ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছেন। একজন বিশিষ্ট দাতা হিসেবে তার ১২-১৩টি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান বর্তমানে ভাটেরাবাসীর চোখের সামনে দৃশ্যমান।
জনগণই আমার শক্তি: মাওলানা শেখ সাইফুল আলম সিদ্দিকী (সেফুল)
এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, “৩৫-৩৬ বছর ধরে আমি মাঠে কাজ করছি। ভাটেরার প্রতিটি বাড়ির শিশু থেকে বৃদ্ধ—সবাই আমার নাম জানেন। অতীতে ষড়যন্ত্র করে আমাকে হারিয়ে দেওয়া হলেও মানুষের হৃদয়ে আমার যে ৩-৪ হাজার ভোটের স্থায়ী ‘ব্যাংক’ আছে, তা কেউ কেড়ে নিতে পারেনি। এবার মানুষের যে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি, তাতে আমি নিশ্চিত যে নিরপেক্ষ ভোট হলে ৮০-৮৫ শতাংশ মানুষ আমাকেই বেছে নেবেন।”
**বিপ্লবী নির্বাচনী অঙ্গীকার**
নির্বাচিত হলে মাওলানা সেফুল বেশ কিছু নজিরবিহীন পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন:
ব্যক্তিগত ফান্ড থেকে ব্যয়: প্রতি বছর পারিবারিক তহবিল থেকে ১০-১২ লাখ টাকা এলাকার উন্নয়নে খরচ করা হবে।
ফি মওকুফ: গরিব ও অসহায়দের জন্মনিবন্ধনসহ সকল সরকারি ফি নিজের ব্যক্তিগত তহবিল থেকে পরিশোধ করবেন।
ঘুষ ও মাদকমুক্ত ইউনিয়ন: বিচারে ঘুষ, চাঁদাবাজি এবং মাদকের বিরুদ্ধে থাকবে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি।
শান্তির জনপদ: ইউনিয়নকে একটি একক পরিবার হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “আমার ইউনিয়নে বাঘ ও হরিণ এক ঘাটে পানি খাবে।”
একটি ভোটের আর্জি
জীবনের শেষ সায়াহ্নে এসে মাওলানা সেফুল আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমি পরিবারের জন্য যেমন রক্ত দিয়ে কাজ করেছি, এলাকার মানুষের জন্যও রক্ত দিতে প্রস্তুত। আমি একটি ইতিহাস গড়ে মরতে চাই। আপনারা আমাকে একটি বার সুযোগ দিয়ে দেখুন। আমি বিশ্বাস করি, ভাটেরার যুবসমাজ ও মা-বোনেরা এবার আমাকে নিরাশ করবেন না।”
দেশ ও প্রবাসে অবস্থানরত সকল ভাটেরাবাসীর কাছে দোয়া চেয়ে তিনি জানান, এলাকার মানুষের ভালোবাসা ও অনুমতি নিয়েই তিনি চূড়ান্তভাবে ভোটের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে প্রস্তুত।

Reporter Name 
















