Dhaka , শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সাহিত্য নিকেতন পাঠাগার — স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে… বিপুল স্যার কুরআন ও মক্কা-মদিনা অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল ভাটেরা গ্রামবাসীর মাঝে ডা. শফিকুর রহমান, বিএনপিকে উদ্দেশ করে সতর্কবার্তা ঈদকে সামনে রেখে হাজী আব্দুস সালাম এর পক্ষ থেকে অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সম্পন্ন ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে প্রশাসন: কুলাউড়ায় ঢেউটিন বিতরণ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ‘কুলাউড়া টুডে’ পরিবারের পক্ষ থেকে সম্পাদক শেখ সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকীর ঈদ শুভেচ্ছা নিরাপদ সড়ক চাই কমলগঞ্জের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিল সিলেটে অসহায় পথচারীদের মাঝে সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ অনুষ্ঠিত কুলাউড়ায় রাতে কুকুরের তাড়া, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় সংবাদকর্মী আহত সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশন মৌলভীবাজার জেলা শাখার ব্যতিক্রমী রমাদান আলোচনা ও ইফতার অনুষ্ঠিত

কুরআন ও মক্কা-মদিনা অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল ভাটেরা

  • Reporter Name
  • Update Time : ১১ ঘন্টা আগে
  • ১৭ Time View


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুলাউড়া।
সৈয়দ পাপন হরফে তাওজেন্ড ও আহমেদ মামুন কতৃক পবিত্র কুরআন মাজিদ এবং ইসলামের পুণ্যভূমি মক্কা ও মদিনা শরিফের অবমাননার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরায় এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৫ মার্চ (বুধবার) সন্ধ্যায় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তৌহিদী জনতা ও ওলামায়ে কেরামের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

জানা যায়, অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ভাটেরা রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্ম প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করার পূর্বঘোষণা দেওয়া হয়। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত তৌহিদী জনতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিছিল প্রতিহত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিকেল থেকেই ভাটেরা স্টেশন বাজার এলাকায় পুলিশের ব্যাপক টহল লক্ষ্য করা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাদ মাগরিব মিছিল শুরু করতে গেলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিপুল সংখ্যক জনতার উপস্থিতিতে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়।এসময় প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ফোনালাপ নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।

 

বিক্ষোভ মিছিলটি স্টেশন বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে রাধানগর-মাইজগাঁও সড়কের মোড়ে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “পবিত্র কুরআন আমাদের কলিজার টুকরো এবং মক্কা-মদিনা আমাদের প্রাণের স্পন্দন। এই পবিত্র নিদর্শনের অবমাননা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। কোনো সচেতন মুসলমান এ ধরনের অবমাননা মেনে নিতে পারে না।”
বক্তারা প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বাধা দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নিন্দনীয়। ভবিষ্যতে প্রতিবাদকারীদের হয়রানি করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

সমাবেশ থেকে ৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়:
১. অবমাননার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. মুসলিম উম্মাহ ও ওআইসি-সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
৩. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও পবিত্র নিদর্শনের অবমাননা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
বিক্ষোভ মিছিলে ভাটেরা ইউনিয়নের বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক, স্থানীয় মসজিদের ইমাম-খতিব এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

সাহিত্য নিকেতন পাঠাগার — স্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে… বিপুল স্যার

কুরআন ও মক্কা-মদিনা অবমাননার প্রতিবাদে উত্তাল ভাটেরা

Update Time : ১১ ঘন্টা আগে


নিজস্ব প্রতিবেদক, কুলাউড়া।
সৈয়দ পাপন হরফে তাওজেন্ড ও আহমেদ মামুন কতৃক পবিত্র কুরআন মাজিদ এবং ইসলামের পুণ্যভূমি মক্কা ও মদিনা শরিফের অবমাননার প্রতিবাদে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার ভাটেরায় এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৫ মার্চ (বুধবার) সন্ধ্যায় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তৌহিদী জনতা ও ওলামায়ে কেরামের উদ্যোগে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

জানা যায়, অবমাননাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে ভাটেরা রেলস্টেশন প্ল্যাটফর্ম প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করার পূর্বঘোষণা দেওয়া হয়। কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত তৌহিদী জনতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিছিল প্রতিহত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়। বিকেল থেকেই ভাটেরা স্টেশন বাজার এলাকায় পুলিশের ব্যাপক টহল লক্ষ্য করা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাদ মাগরিব মিছিল শুরু করতে গেলে পুলিশ বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও বিপুল সংখ্যক জনতার উপস্থিতিতে পুলিশ পিছু হটতে বাধ্য হয়।এসময় প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার সঙ্গে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ফোনালাপ নিয়ে আন্দোলনকারীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় বলেও অভিযোগ ওঠে।

 

বিক্ষোভ মিছিলটি স্টেশন বাজারের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে রাধানগর-মাইজগাঁও সড়কের মোড়ে গিয়ে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “পবিত্র কুরআন আমাদের কলিজার টুকরো এবং মক্কা-মদিনা আমাদের প্রাণের স্পন্দন। এই পবিত্র নিদর্শনের অবমাননা বিশ্বের কোটি কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। কোনো সচেতন মুসলমান এ ধরনের অবমাননা মেনে নিতে পারে না।”
বক্তারা প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বাধা দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত এবং নিন্দনীয়। ভবিষ্যতে প্রতিবাদকারীদের হয়রানি করা হলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

সমাবেশ থেকে ৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়:
১. অবমাননার সঙ্গে জড়িত অভিযুক্তদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
২. মুসলিম উম্মাহ ও ওআইসি-সহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।
৩. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও পবিত্র নিদর্শনের অবমাননা প্রতিরোধে কঠোর আইন প্রণয়ন করতে হবে।
বিক্ষোভ মিছিলে ভাটেরা ইউনিয়নের বিভিন্ন মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক, স্থানীয় মসজিদের ইমাম-খতিব এবং সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।