Dhaka , বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিরাপদ সড়ক চাই কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে যানজট নিরসনে ট্রাফিক ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত। বালাইরমা খাসিয়া পুঞ্জিতে সাংসদ শওকতুল ইসলাম কে বিশাল সংবর্ধনা কুলাউড়ায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইউএনও’র অভিযান, ৮ মামলায় জরিমানা পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা বার্তা। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কুলাউড়ার ওসিসহ ৩ পুলিশ সদস্যকে ডিআইজি পুরস্কার কুলাউড়ায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ ভাটেরা বাজার বণিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক ও শপথ অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট: ৩৮১ যানবাহন আটক, ২৬৭ মামলা ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানা বাংলা এডিশনের সাংবাদিক জিলানী এর উপরে হামলার প্রতিবাদে টঙ্গীতে মানববন্ধন মরহুম আলহাজ্ব সামছুল ইসলাম চৌধুরীর ঈসালে সওয়াব উপলক্ষে বিশাল মেজবানি অনুষ্ঠিত।

কুলাউড়ায় সাবেক এমপিসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩০৬ Time View

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৫ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক তিনবারের এমপি ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) অংশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নওয়াব আলী আব্বাছ খানসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

​শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ফলাফল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনী ফলাফলের চিত্র:

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী আলহাজ শওকতুল ইসলাম শকু (ধানের শীষ) ৬৮ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এম সায়েদ আলী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৫৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ (কাপ-পিরিচ) ২৫ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন।

জামানত হারালেন যারা:

আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ১২.৫ শতাংশ (এক-অষ্টমাংশ) ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন:

১. নওয়াব আলী আব্বাছ খান (স্বতন্ত্র-ফুটবল): ১৩ হাজার ৭৫৪ ভোট।

২. জিমিউর রহমান চৌধুরী ম্যান্ডেলা (স্বতন্ত্র-ঘোড়া): ২ হাজার ১৪১ ভোট।

৩. সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী (বাসদ-কাঁচি): ৫৯১ ভোট।

৪. আব্দুল কুদ্দুস (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা): ৫২০ ভোট।

৫. মো. আব্দুল মালিক (জাতীয় পার্টি-লাঙ্গল): ৪৮৪ ভোট।

ভোটের পরিসংখ্যান:

উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১০৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৩ লাখ ৩ হাজার ২০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮১৯ জন। প্রদত্ত ভোটের হার ৫৬.০৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৮ এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬০১ ভোট।

​উল্লেখ্য, একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৯৩০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ৯৩৫টি। হেভিওয়েট প্রার্থীদের এমন শোচনীয় পরাজয় ও জামানত হারানো নিয়ে কুলাউড়ার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Tag :

One thought on “কুলাউড়ায় সাবেক এমপিসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নিরাপদ সড়ক চাই কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে যানজট নিরসনে ট্রাফিক ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত।

কুলাউড়ায় সাবেক এমপিসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

Update Time : ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৫ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক তিনবারের এমপি ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) অংশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নওয়াব আলী আব্বাছ খানসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

​শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ফলাফল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনী ফলাফলের চিত্র:

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী আলহাজ শওকতুল ইসলাম শকু (ধানের শীষ) ৬৮ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এম সায়েদ আলী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৫৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ (কাপ-পিরিচ) ২৫ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন।

জামানত হারালেন যারা:

আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ১২.৫ শতাংশ (এক-অষ্টমাংশ) ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন:

১. নওয়াব আলী আব্বাছ খান (স্বতন্ত্র-ফুটবল): ১৩ হাজার ৭৫৪ ভোট।

২. জিমিউর রহমান চৌধুরী ম্যান্ডেলা (স্বতন্ত্র-ঘোড়া): ২ হাজার ১৪১ ভোট।

৩. সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী (বাসদ-কাঁচি): ৫৯১ ভোট।

৪. আব্দুল কুদ্দুস (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা): ৫২০ ভোট।

৫. মো. আব্দুল মালিক (জাতীয় পার্টি-লাঙ্গল): ৪৮৪ ভোট।

ভোটের পরিসংখ্যান:

উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১০৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৩ লাখ ৩ হাজার ২০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮১৯ জন। প্রদত্ত ভোটের হার ৫৬.০৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৮ এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬০১ ভোট।

​উল্লেখ্য, একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৯৩০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ৯৩৫টি। হেভিওয়েট প্রার্থীদের এমন শোচনীয় পরাজয় ও জামানত হারানো নিয়ে কুলাউড়ার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।