Dhaka , বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
নিরাপদ সড়ক চাই কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে যানজট নিরসনে ট্রাফিক ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত। বালাইরমা খাসিয়া পুঞ্জিতে সাংসদ শওকতুল ইসলাম কে বিশাল সংবর্ধনা কুলাউড়ায় সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে ইউএনও’র অভিযান, ৮ মামলায় জরিমানা পবিত্র ঈদুল আযহা’র শুভেচ্ছা বার্তা। পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে কুলাউড়ার ওসিসহ ৩ পুলিশ সদস্যকে ডিআইজি পুরস্কার কুলাউড়ায় প্রবল বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্ত হাওরাঞ্চলের কৃষকদের মাঝে নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ ভাটেরা বাজার বণিক সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির বর্ণাঢ্য অভিষেক ও শপথ অনুষ্ঠিত মৌলভীবাজারে পুলিশের বিশেষ চেকপোস্ট: ৩৮১ যানবাহন আটক, ২৬৭ মামলা ও ১৫ লাখ টাকা জরিমানা বাংলা এডিশনের সাংবাদিক জিলানী এর উপরে হামলার প্রতিবাদে টঙ্গীতে মানববন্ধন মরহুম আলহাজ্ব সামছুল ইসলাম চৌধুরীর ঈসালে সওয়াব উপলক্ষে বিশাল মেজবানি অনুষ্ঠিত।

বিবস্ত্র পোশাকে সামিরা খান মাহির নাচ

  • Reporter Name
  • Update Time : ০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • ৫৪৬ Time View

বিবস্ত্র পোশাকে সামিরা খান মাহির নাচ

Yamaha কোম্পানির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সামিরা খান মাহি এমন এক নাচ পরিবেশন করেন, যেটা শুধুই বিতর্কিত নয়, বরং লজ্জাজনক। কারণ, তার পোশাক ছিল এতটাই খোলামেলা, এতটাই অশ্লীল, যে শরীরের এমন কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না যা দৃশ্যমান ছিল না। বলা যায়, পোশাক ছিল শুধুই নামমাত্র—আসলে তা ছিল শরীর প্রদর্শনের এক নির্মম দৃষ্টান্ত।

 

অনুষ্ঠানে তার এই নাচ এবং পরিধেয় পোশাক দেখে ছেলেমেয়ে উভয়েই ঘৃণা প্রকাশ করছে। “ছি ছি” করছে সবাই। কেউ বলছেন, তিনি যাত্রাপালার নর্তকীকেও হার মানিয়েছেন, আবার কেউ বলছেন—”কাক ময়ূর হতে চায়”—কিন্তু রুচির দেউলিয়াত্ব তাকে রক্ষা করতে পারেনি।

 

তাহলে কি এটা শুধুই টাকার খেলা?

এক সময়ের ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, যিনি কিছু নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, তিনি আজ সামান্য কিছু টাকার জন্য নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবেন, তা ভাবাও কষ্টকর। কিন্তু বাস্তবতা হলো—টাকার নেশা যখন মানুষের বিবেক খেয়ে ফেলে, তখন লজ্জা বলে কিছু থাকে না। তখন শরীরই হয়ে ওঠে বিক্রয়যোগ্য পণ্য।

 

তাহলে কি এটিই রুচির দুর্ভিক্ষ?

 

হ্যাঁ, একে ছাড়া আর কিছু বলা চলে না। যদি সামিরার রুচিতে এতটুকু পরিণত বোধ থাকতো, তাহলে তিনি এমন পোশাক পরে এমন অশ্লীল নাচ কখনোই করতেন না।

 

তাকে দেখে মনে হয়, যেন একজন শিল্পী নয়, বরং একজন পণ্য, যে নিজেকে টাকার বিনিময়ে নিলামে তুলেছে। এই যদি হয় বিনোদনের নতুন সংজ্ঞা, তাহলে সমাজের ভবিষ্যৎ যে কতটা অন্ধকার, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

 

এ ঘটনা কেবল একজন মাহিকে নিয়ে নয়, বরং পুরো সমাজের রুচি, সংস্কৃতি আর মূল্যবোধ নিয়ে বড় একটা প্রশ্ন তুলে দেয়।

 

সামিরা শুধু নিজের সম্মান নয়, বিনোদন মাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। আজকের এই সময় আমাদেরকে ভাবতে শেখাচ্ছে—আমরা কোথায় যাচ্ছি? কেন আমরা প্রতিনিয়ত বিবস্ত্রতার প্রতিযোগিতায় নামছি?

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

নিরাপদ সড়ক চাই কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে ঈদ উপলক্ষে যানজট নিরসনে ট্রাফিক ক্যাম্পিং অনুষ্ঠিত।

বিবস্ত্র পোশাকে সামিরা খান মাহির নাচ

Update Time : ০১:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

Yamaha কোম্পানির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সামিরা খান মাহি এমন এক নাচ পরিবেশন করেন, যেটা শুধুই বিতর্কিত নয়, বরং লজ্জাজনক। কারণ, তার পোশাক ছিল এতটাই খোলামেলা, এতটাই অশ্লীল, যে শরীরের এমন কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না যা দৃশ্যমান ছিল না। বলা যায়, পোশাক ছিল শুধুই নামমাত্র—আসলে তা ছিল শরীর প্রদর্শনের এক নির্মম দৃষ্টান্ত।

 

অনুষ্ঠানে তার এই নাচ এবং পরিধেয় পোশাক দেখে ছেলেমেয়ে উভয়েই ঘৃণা প্রকাশ করছে। “ছি ছি” করছে সবাই। কেউ বলছেন, তিনি যাত্রাপালার নর্তকীকেও হার মানিয়েছেন, আবার কেউ বলছেন—”কাক ময়ূর হতে চায়”—কিন্তু রুচির দেউলিয়াত্ব তাকে রক্ষা করতে পারেনি।

 

তাহলে কি এটা শুধুই টাকার খেলা?

এক সময়ের ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, যিনি কিছু নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, তিনি আজ সামান্য কিছু টাকার জন্য নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবেন, তা ভাবাও কষ্টকর। কিন্তু বাস্তবতা হলো—টাকার নেশা যখন মানুষের বিবেক খেয়ে ফেলে, তখন লজ্জা বলে কিছু থাকে না। তখন শরীরই হয়ে ওঠে বিক্রয়যোগ্য পণ্য।

 

তাহলে কি এটিই রুচির দুর্ভিক্ষ?

 

হ্যাঁ, একে ছাড়া আর কিছু বলা চলে না। যদি সামিরার রুচিতে এতটুকু পরিণত বোধ থাকতো, তাহলে তিনি এমন পোশাক পরে এমন অশ্লীল নাচ কখনোই করতেন না।

 

তাকে দেখে মনে হয়, যেন একজন শিল্পী নয়, বরং একজন পণ্য, যে নিজেকে টাকার বিনিময়ে নিলামে তুলেছে। এই যদি হয় বিনোদনের নতুন সংজ্ঞা, তাহলে সমাজের ভবিষ্যৎ যে কতটা অন্ধকার, তা সহজেই অনুমান করা যায়।

 

এ ঘটনা কেবল একজন মাহিকে নিয়ে নয়, বরং পুরো সমাজের রুচি, সংস্কৃতি আর মূল্যবোধ নিয়ে বড় একটা প্রশ্ন তুলে দেয়।

 

সামিরা শুধু নিজের সম্মান নয়, বিনোদন মাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। আজকের এই সময় আমাদেরকে ভাবতে শেখাচ্ছে—আমরা কোথায় যাচ্ছি? কেন আমরা প্রতিনিয়ত বিবস্ত্রতার প্রতিযোগিতায় নামছি?