Dhaka , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মাদ্রাসা বাজারে নির্বাচনী উৎসব: ১টা থেকে শুরু হচ্ছে ভোটগ্রহণ এম সাইফুর রহমানের কবর জিয়ারত করলেন হুসামুদ্দীন চৌধুরী ফুলতলী শ্রীমঙ্গলে অপহরণের পর সাক্ষীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেপ্তার সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি: এনসিপির লিফলেট বিতরণ মৌলভীবাজারে জেলা কাজী সমিতির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিলেট বিআরটিএ-তে মোশাররফ-রফিকুল সিন্ডিকেট: দুর্নীতির মহাসাগরে দিশেহারা জনগণ গোলাপগঞ্জে সাংবাদিকের বাড়ির রাস্তা বন্ধ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রভাবশালী চক্রের তাণ্ডব মৌলভীবাজারে ইসলামী সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘রিসালাহ’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সার্জন টিভির আয়োজনে প্রবাসী সমাজসেবক আব্দুল মতিন (মতু)–কে সংবর্ধনা, গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখর সিলেট

স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত পোস্টের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • ৪১২ Time View

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৬ মার্চ: স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুম মুনিরা কায়ছানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

২৬ মার্চ সকালে এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

 

এই পোস্ট ঘিরে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে বিএনপি সমর্থকরা এই পোস্টের বিরোধিতা করেন এবং তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর পোস্টটি মুছে ফেলা হয় এবং সিরাজুম মুনিরা কায়ছান দাবি করেন যে, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছিল।

 

ফেসবুক পোস্টের পর সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে গেলে বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছান। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে তিনি অনুষ্ঠানস্থল থেকে ফিরে আসেন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানিয়েছেন, ফেসবুক পোস্টের কারণে এসিল্যান্ডকে সরাইল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল একটি ইস্যু। এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, তদন্ত শেষে সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মাদ্রাসা বাজারে নির্বাচনী উৎসব: ১টা থেকে শুরু হচ্ছে ভোটগ্রহণ

স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত পোস্টের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

Update Time : ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৬ মার্চ: স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুম মুনিরা কায়ছানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

২৬ মার্চ সকালে এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

 

এই পোস্ট ঘিরে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে বিএনপি সমর্থকরা এই পোস্টের বিরোধিতা করেন এবং তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর পোস্টটি মুছে ফেলা হয় এবং সিরাজুম মুনিরা কায়ছান দাবি করেন যে, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছিল।

 

ফেসবুক পোস্টের পর সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে গেলে বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছান। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে তিনি অনুষ্ঠানস্থল থেকে ফিরে আসেন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানিয়েছেন, ফেসবুক পোস্টের কারণে এসিল্যান্ডকে সরাইল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল একটি ইস্যু। এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, তদন্ত শেষে সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।