Dhaka , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট- এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। কমলগঞ্জে ইউএনও সাথে কমলগঞ্জ সামাজিক সংগঠন ঐক্য পরিষদের সমন্বয়কদের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রস্তুত বালাই হাওর: আল্লামা ফুলতলী ছাহেব রাহিমাহুল্লাহ’র ১৮ তম বার্ষিক ইসালে সাওয়াব মাহফিল ২০২৬ ইং মৌলভীবাজারে ২২ জানুয়ারি তারেক রহমানের জনসভা, প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা মৌলভীবাজার-২ সংসদীয় আসনে মাওলানা ফজলুল হক খান শাহেদের জনপ্রিয়তা শীর্ষে, অনলাইন জরিপে নেতৃত্বের অবস্থান কমলগঞ্জে হোসাইন কিডস প্লানেট এন্ড কিন্ডারগার্টেন স্কুল উদ্বোধনী ও বই বিতরণ অনুষ্ঠিত। ভাইজন২৪ গ্রুপের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে শীতবস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কমলগঞ্জে নবাগত ইউএনও সাথে নিসচা কমলগঞ্জ শাখার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ মালিক ভাটেরা স্টেশন বাজার বণিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি আকমল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমদ সদর নির্বাচিত

স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত পোস্টের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫
  • ৩২৯ Time View

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৬ মার্চ: স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুম মুনিরা কায়ছানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

২৬ মার্চ সকালে এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

 

এই পোস্ট ঘিরে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে বিএনপি সমর্থকরা এই পোস্টের বিরোধিতা করেন এবং তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর পোস্টটি মুছে ফেলা হয় এবং সিরাজুম মুনিরা কায়ছান দাবি করেন যে, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছিল।

 

ফেসবুক পোস্টের পর সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে গেলে বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছান। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে তিনি অনুষ্ঠানস্থল থেকে ফিরে আসেন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানিয়েছেন, ফেসবুক পোস্টের কারণে এসিল্যান্ডকে সরাইল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল একটি ইস্যু। এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, তদন্ত শেষে সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট- এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত।

স্বাধীনতার ঘোষক সংক্রান্ত পোস্টের জেরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এসিল্যান্ড প্রত্যাহার

Update Time : ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ মার্চ ২০২৫

 

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ২৬ মার্চ: স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করে অফিসিয়াল ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দেওয়ার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) সিরাজুম মুনিরা কায়ছানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

২৬ মার্চ সকালে এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের ফেসবুক আইডি থেকে একটি পোস্ট করা হয়, যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘স্বাধীনতার ঘোষক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

 

এই পোস্ট ঘিরে বিভিন্ন মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। বিশেষ করে বিএনপি সমর্থকরা এই পোস্টের বিরোধিতা করেন এবং তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। কিছুক্ষণ পর পোস্টটি মুছে ফেলা হয় এবং সিরাজুম মুনিরা কায়ছান দাবি করেন যে, তার ফেসবুক আইডি হ্যাক হয়েছিল।

 

ফেসবুক পোস্টের পর সরাইল অন্নদা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে স্বাধীনতা দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে গেলে বিএনপি নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন এসিল্যান্ড সিরাজুম মুনিরা কায়ছান। পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলে তিনি অনুষ্ঠানস্থল থেকে ফিরে আসেন।

 

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ দিদারুল আলম জানিয়েছেন, ফেসবুক পোস্টের কারণে এসিল্যান্ডকে সরাইল থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

 

তিনি আরও জানান, ঘটনার তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বাংলাদেশে স্বাধীনতার ঘোষক বিতর্ক দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল একটি ইস্যু। এই ঘটনার ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এখন দেখার বিষয়, তদন্ত শেষে সিরাজুম মুনিরা কায়ছানের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না।