Dhaka , শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট- এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত। কমলগঞ্জে ইউএনও সাথে কমলগঞ্জ সামাজিক সংগঠন ঐক্য পরিষদের সমন্বয়কদের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রস্তুত বালাই হাওর: আল্লামা ফুলতলী ছাহেব রাহিমাহুল্লাহ’র ১৮ তম বার্ষিক ইসালে সাওয়াব মাহফিল ২০২৬ ইং মৌলভীবাজারে ২২ জানুয়ারি তারেক রহমানের জনসভা, প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পর্যালোচনা মৌলভীবাজার-২ সংসদীয় আসনে মাওলানা ফজলুল হক খান শাহেদের জনপ্রিয়তা শীর্ষে, অনলাইন জরিপে নেতৃত্বের অবস্থান কমলগঞ্জে হোসাইন কিডস প্লানেট এন্ড কিন্ডারগার্টেন স্কুল উদ্বোধনী ও বই বিতরণ অনুষ্ঠিত। ভাইজন২৪ গ্রুপের ৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে শীতবস্ত্র ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কমলগঞ্জে নবাগত ইউএনও সাথে নিসচা কমলগঞ্জ শাখার সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময়। মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এম এ মালিক ভাটেরা স্টেশন বাজার বণিক সমিতির ত্রিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি আকমল হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক হৃদয় আহমদ সদর নির্বাচিত

৯৫ দিন পর প্রশান্ত মহাসাগর থেকে উদ্ধার জেলে

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • ১০৮ Time View

৯৫ দিন পর প্রশান্ত মহাসাগর থেকে উদ্ধার জেলে

 

প্রশান্ত মহাসাগরে ৯৫ দিন! অবশেষে বেঁচে ফিরলেন হারিয়ে যাওয়া পেরুর জেলে

সাগরের বিশাল নীল জলরাশি আর প্রলয়ংকরী ঢেউয়ের মাঝে একা ভেসে বেড়াচ্ছিলেন ম্যাক্সিমো নাপা কাস্ত্রো। বয়স ৬১ বছর। পেরুর মারকোনা শহরের এই জেলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন মাত্র দুই সপ্তাহের জন্য। কিন্তু প্রকৃতির প্রতিকূলতায় ৯৫ দিন ধরে হারিয়ে গিয়েছিলেন প্রশান্ত মহাসাগরের বিশালতায়।

 

গত ৭ ডিসেম্বর, প্রয়োজনীয় রসদ নিয়ে নৌকায় মাছ ধরতে বের হন নাপা কাস্ত্রো। তবে ১০ দিন পার হতেই প্রবল ঝোড়ো হাওয়ায় দিকভ্রান্ত হয়ে যান তিনি। একা, সাহায্যবিহীন, আশেপাশে শুধু সীমাহীন সমুদ্র—এ এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন!

 

তিন মাস ধরে তার পরিবারের মানুষজন আশা আর হতাশার দোলাচলে ছিলেন। কাস্ত্রোর মেয়ে ইনেস নাপা তোরেস এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন—

 

বাবা হারিয়ে যাওয়ার পর প্রতিটি দিন আমাদের জন্য যন্ত্রণার ছিল। আমরা কখনো ভাবিনি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হবো। কিন্তু আশা ছাড়িনি

 

পরিবার, স্থানীয় জেলেরা, এমনকি পেরুর সামুদ্রিক টহল দলও দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজে বেড়িয়েছিল। কিন্তু কোথাও তার খোঁজ মেলেনি।

 

তবে ১১ মার্চ, প্রায় ৬৮০ মাইল দূরে তাকে জীবিত উদ্ধার করে ইকুয়েডরের একটি মাছ ধরার নৌকা। দীর্ঘ ৯৫ দিনের সেই লড়াইয়ের পর তিনি যখন উদ্ধার হন, তখন তীব্র পানিশূন্যতা ও দুর্বলতায় প্রায় মৃত্যুর দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছিলেন।

 

৯৫ দিন একা এক ছোট নৌকায় কীভাবে টিকে ছিলেন নাপা কাস্ত্রো? তিনি কী খেয়েছিলেন? কেমন ছিল তার প্রতিটি রাত, প্রতিটি সকাল? নিশ্চয়ই সেসব মুহূর্ত ছিল আতঙ্ক আর বেঁচে থাকার এক অসম যুদ্ধ!

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

কমলগঞ্জে কোয়াব কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট- এর উদ্বোধন অনুষ্ঠিত।

৯৫ দিন পর প্রশান্ত মহাসাগর থেকে উদ্ধার জেলে

Update Time : ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

প্রশান্ত মহাসাগরে ৯৫ দিন! অবশেষে বেঁচে ফিরলেন হারিয়ে যাওয়া পেরুর জেলে

সাগরের বিশাল নীল জলরাশি আর প্রলয়ংকরী ঢেউয়ের মাঝে একা ভেসে বেড়াচ্ছিলেন ম্যাক্সিমো নাপা কাস্ত্রো। বয়স ৬১ বছর। পেরুর মারকোনা শহরের এই জেলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন মাত্র দুই সপ্তাহের জন্য। কিন্তু প্রকৃতির প্রতিকূলতায় ৯৫ দিন ধরে হারিয়ে গিয়েছিলেন প্রশান্ত মহাসাগরের বিশালতায়।

 

গত ৭ ডিসেম্বর, প্রয়োজনীয় রসদ নিয়ে নৌকায় মাছ ধরতে বের হন নাপা কাস্ত্রো। তবে ১০ দিন পার হতেই প্রবল ঝোড়ো হাওয়ায় দিকভ্রান্ত হয়ে যান তিনি। একা, সাহায্যবিহীন, আশেপাশে শুধু সীমাহীন সমুদ্র—এ এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন!

 

তিন মাস ধরে তার পরিবারের মানুষজন আশা আর হতাশার দোলাচলে ছিলেন। কাস্ত্রোর মেয়ে ইনেস নাপা তোরেস এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন—

 

বাবা হারিয়ে যাওয়ার পর প্রতিটি দিন আমাদের জন্য যন্ত্রণার ছিল। আমরা কখনো ভাবিনি এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হবো। কিন্তু আশা ছাড়িনি

 

পরিবার, স্থানীয় জেলেরা, এমনকি পেরুর সামুদ্রিক টহল দলও দীর্ঘদিন ধরে তাকে খুঁজে বেড়িয়েছিল। কিন্তু কোথাও তার খোঁজ মেলেনি।

 

তবে ১১ মার্চ, প্রায় ৬৮০ মাইল দূরে তাকে জীবিত উদ্ধার করে ইকুয়েডরের একটি মাছ ধরার নৌকা। দীর্ঘ ৯৫ দিনের সেই লড়াইয়ের পর তিনি যখন উদ্ধার হন, তখন তীব্র পানিশূন্যতা ও দুর্বলতায় প্রায় মৃত্যুর দুয়ারে পৌঁছে গিয়েছিলেন।

 

৯৫ দিন একা এক ছোট নৌকায় কীভাবে টিকে ছিলেন নাপা কাস্ত্রো? তিনি কী খেয়েছিলেন? কেমন ছিল তার প্রতিটি রাত, প্রতিটি সকাল? নিশ্চয়ই সেসব মুহূর্ত ছিল আতঙ্ক আর বেঁচে থাকার এক অসম যুদ্ধ!