Dhaka , শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে অপহরণের পর সাক্ষীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড কুলাউড়ায় পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ৬ আসামি গ্রেপ্তার সিলেটে ১১ দলীয় ঐক্যের কর্মসূচি: এনসিপির লিফলেট বিতরণ মৌলভীবাজারে জেলা কাজী সমিতির উদ্যোগে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সিলেট বিআরটিএ-তে মোশাররফ-রফিকুল সিন্ডিকেট: দুর্নীতির মহাসাগরে দিশেহারা জনগণ গোলাপগঞ্জে সাংবাদিকের বাড়ির রাস্তা বন্ধ: আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রভাবশালী চক্রের তাণ্ডব মৌলভীবাজারে ইসলামী সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘রিসালাহ’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত সার্জন টিভির আয়োজনে প্রবাসী সমাজসেবক আব্দুল মতিন (মতু)–কে সংবর্ধনা, গুণীজনদের মিলনমেলায় মুখর সিলেট কুলাউড়ায় হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ১০ শয্যার আইসোলেশন সেন্টার উদ্বোধন সোসাইটি অব জাতীয় গণমাধ্যম কমিশনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে সৈয়দ ছালেক আহমেদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা সম্পন্ন

কুলাউড়ায় সাবেক এমপিসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

  • Reporter Name
  • Update Time : ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৮ Time View

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৫ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক তিনবারের এমপি ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) অংশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নওয়াব আলী আব্বাছ খানসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

​শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ফলাফল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনী ফলাফলের চিত্র:

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী আলহাজ শওকতুল ইসলাম শকু (ধানের শীষ) ৬৮ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এম সায়েদ আলী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৫৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ (কাপ-পিরিচ) ২৫ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন।

জামানত হারালেন যারা:

আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ১২.৫ শতাংশ (এক-অষ্টমাংশ) ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন:

১. নওয়াব আলী আব্বাছ খান (স্বতন্ত্র-ফুটবল): ১৩ হাজার ৭৫৪ ভোট।

২. জিমিউর রহমান চৌধুরী ম্যান্ডেলা (স্বতন্ত্র-ঘোড়া): ২ হাজার ১৪১ ভোট।

৩. সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী (বাসদ-কাঁচি): ৫৯১ ভোট।

৪. আব্দুল কুদ্দুস (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা): ৫২০ ভোট।

৫. মো. আব্দুল মালিক (জাতীয় পার্টি-লাঙ্গল): ৪৮৪ ভোট।

ভোটের পরিসংখ্যান:

উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১০৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৩ লাখ ৩ হাজার ২০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮১৯ জন। প্রদত্ত ভোটের হার ৫৬.০৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৮ এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬০১ ভোট।

​উল্লেখ্য, একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৯৩০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ৯৩৫টি। হেভিওয়েট প্রার্থীদের এমন শোচনীয় পরাজয় ও জামানত হারানো নিয়ে কুলাউড়ার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Tag :

One thought on “কুলাউড়ায় সাবেক এমপিসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

শ্রীমঙ্গলে অপহরণের পর সাক্ষীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের অভিযোগ পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যাকাণ্ড

কুলাউড়ায় সাবেক এমপিসহ ৫ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

Update Time : ০৩:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুলাউড়া (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজার-২ (কুলাউড়া) আসনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের রাজনৈতিক বিপর্যয়ের মুখে পড়েছেন সাবেক সংসদ সদস্যসহ ৫ জন প্রার্থী। প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় সাবেক তিনবারের এমপি ও জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) অংশের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব নওয়াব আলী আব্বাছ খানসহ পাঁচ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

​শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন ফলাফল ও জামানত বাজেয়াপ্তের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

নির্বাচনী ফলাফলের চিত্র:

নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির প্রার্থী আলহাজ শওকতুল ইসলাম শকু (ধানের শীষ) ৬৮ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী এম সায়েদ আলী (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৫৮ ভোট। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান সাহেদ (কাপ-পিরিচ) ২৫ হাজার ৮৮৯ ভোট পেয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়েছেন।

জামানত হারালেন যারা:

আইন অনুযায়ী প্রদত্ত ভোটের ১২.৫ শতাংশ (এক-অষ্টমাংশ) ভোট না পাওয়ায় জামানত হারিয়েছেন:

১. নওয়াব আলী আব্বাছ খান (স্বতন্ত্র-ফুটবল): ১৩ হাজার ৭৫৪ ভোট।

২. জিমিউর রহমান চৌধুরী ম্যান্ডেলা (স্বতন্ত্র-ঘোড়া): ২ হাজার ১৪১ ভোট।

৩. সাদিয়া নোশিন তাসনিম চৌধুরী (বাসদ-কাঁচি): ৫৯১ ভোট।

৪. আব্দুল কুদ্দুস (ইসলামী আন্দোলন-হাতপাখা): ৫২০ ভোট।

৫. মো. আব্দুল মালিক (জাতীয় পার্টি-লাঙ্গল): ৪৮৪ ভোট।

ভোটের পরিসংখ্যান:

উপজেলার ১৩টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১০৩টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ৩ লাখ ৩ হাজার ২০ জন ভোটারের মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৮১৯ জন। প্রদত্ত ভোটের হার ৫৬.০৪ শতাংশ। এর মধ্যে বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৫ হাজার ২১৮ এবং বাতিল হয়েছে ৪ হাজার ৬০১ ভোট।

​উল্লেখ্য, একই দিনে অনুষ্ঠিত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট পড়েছে ৮৩ হাজার ৯৩০টি এবং ‘না’ ভোট পড়েছে ৬৭ হাজার ৯৩৫টি। হেভিওয়েট প্রার্থীদের এমন শোচনীয় পরাজয় ও জামানত হারানো নিয়ে কুলাউড়ার রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা চলছে।