
শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর বাংলা একাডেমির কবি আল মাহমুদ কর্নারে ‘বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্র’ আয়োজিত এক আলোচনা সভা, কবিতা পাঠ, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়।
বাংলার ইতিহাসে নারী নেতৃত্বের উজ্জ্বল প্রতীক ও উপমহাদেশের প্রথম নারী নবাব নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী-এর জীবন, সাহিত্য ও কর্ম নিয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কবি গোলাম কাদের। প্রধান অতিথি ছিলেন রহীম শাহ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাহবুবুল হক এবং স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি আরিফ নজরুল।
বাংলা সংস্কৃতি কেন্দ্রের প্রদত্ত সনদপত্রে উল্লেখ করা হয়, ছড়া ও গীতিকবিতায় তাঁর গৌরবময় ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কবি এম. আব্দুল কাইয়ুমকে ‘নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী স্বর্ণপদক-২০২৬’-এ ভূষিত করা হয়েছে।

সাহিত্যাঙ্গনে এই সম্মাননা কবি এম. আব্দুল কাইয়ুমের দীর্ঘদিনের সৃজনশীল সাহিত্যচর্চার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, এই অর্জন তাঁর ভবিষ্যৎ সাহিত্যসাধনাকে আরও সমৃদ্ধ করবে এবং বাংলা ছড়া ও গীতিকবিতায় নতুন সৃষ্টিশীল অবদান রাখতে তাঁকে অনুপ্রাণিত করবে।
বর্তমানে কবি এম. আব্দুল কাইয়ুমের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা আটটি। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো— ভাঙা আয়না (গল্পগ্রন্থ), প্রণয় বিপ্লবের মধ্যরাত (কাব্যগ্রন্থ), কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যে নারী জীবনের রূপায়ণ (গবেষণাধর্মী গ্রন্থ), জাগরণের পদ্য গীতিমালা (পদ্য ও গীতিকবিতা), আসমানীর সূর্য (কাব্যগ্রন্থ), বাবুসোনা ময়নাপাখি (শিশুসাহিত্য ও ছড়াগ্রন্থ), মনিমুক্তার ছড়া (ছড়াগ্রন্থ) এবং কাব্যাঞ্জলি (যৌথ কাব্যগ্রন্থ)।
সাহিত্যপ্রেমীদের মতে, এই সম্মাননা শুধু কবি এম. আব্দুল কাইয়ুমের ব্যক্তিগত অর্জন নয়; এটি মৌলভীবাজার তথা সিলেট অঞ্চলের সাহিত্যাঙ্গনের জন্যও একটি গৌরবের বিষয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শেখ সাইফুল ইসলাম সিদ্দিকী, মোবাইলঃ 01712-823054
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।