
নিজস্ব প্রতিবেদন:
সিলেট বিভাগে বইছে আনন্দের হাওয়া। জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়ে মন্ত্রিসভায় স্থান করে নিয়েছেন সিলেটের চার জন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাঁদের নিয়োগে সিলেটবাসীর মাঝে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক উচ্ছ্বাস ও প্রত্যাশা।
মন্ত্রিসভায় স্থান পাওয়া চারজন হলেন—
, বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী;
, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী;
, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী;
এবং , অর্থ প্রতিমন্ত্রী।
বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের দায়িত্ব গ্রহণ সিলেট অঞ্চলের পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, চা-বাগান, হাওর ও ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থানসমৃদ্ধ সিলেটকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে তাঁর কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী হিসেবে আরিফুল হক চৌধুরীর দায়িত্ব গ্রহণে তৃণমূল পর্যায়ের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নতুন গতি আসবে বলে আশা করছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। সুশাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং নগর ব্যবস্থাপনায় আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনগণের সেবা নিশ্চিত করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন অনেকে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে হুমায়ূন কবিরের দায়িত্ব গ্রহণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈশ্বিক কূটনীতি, প্রবাসী কল্যাণ এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।
অর্থ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ড. রেজা কিবরিয়ার দায়িত্ব দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে অর্থনীতিবিদদের অভিমত। বাজেট ব্যবস্থাপনা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
সিলেটের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে এই চারজনের মন্ত্রিত্বকে দেখা হচ্ছে গর্ব ও সম্ভাবনার নতুন অধ্যায় হিসেবে। স্থানীয় জনগণ মনে করছেন, তাঁদের নেতৃত্বে সিলেটের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং জাতীয় অগ্রযাত্রায় নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
সর্বমহলে এখন একটাই প্রত্যাশা—নিজ নিজ দায়িত্বে সফল হয়ে তাঁরা সিলেট তথা দেশের উন্নয়নে কার্যকর ও দৃশ্যমান অবদান রাখবেন।

Reporter Name 







