Dhaka , বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
মানুষের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহরাইন প্রেসক্লাবের নতুন কমিটি ঘোষণা সভাপতি কুলাউড়া’র সম্রাট নজরুল ইসলাম সিদ্দিকী নিসচা কমলগঞ্জ শাখার পক্ষ থেকে (কমলগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল) নবনির্বাচিত এমপি সাথে সৌজন্যে সাক্ষাৎ শুভেচ্ছা বিনিময় গুড নেইবারস বাংলাদেশ মৌলভীবাজার সিডিপিতে সহযোগী বিদ্যালয় সমূহের অংশগ্রহণে বার্ষিক পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত গুড নেইবারস্ বাংলাদেশের উদ্দ্যোগে কমলগঞ্জে, বিশেষ স্বাস্থ্য সেবা ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত। ভৈরবে ফল কিনতে গিয়ে নিখোঁজ ব্যবসায়ী, ৫ দিন ধরে মেলেনি সন্ধান পবিত্র মাহে রমজান শুরু, আগামীকাল থেকে রোজা সিলেটের চার কৃতি সন্তান মন্ত্রিসভায় — আনন্দ ও প্রত্যাশায় মুখর পুরো বিভাগ
জু’মআর দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন

ইসলামী কলাম-

মাওলানা মুফতি সদর উদ্দিন সিদ্দিকী:

 

ইসলামে জু’মআর দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে, এই দিনেই হজরত আদম (আ.) সৃষ্টি হয়েছেন, জান্নাতে প্রবেশ করেছেন এবং পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছেন। আবার কিয়ামতও সংঘটিত হবে জু’মআর দিনেই।

ধর্মীয় সূত্রে জানা যায়, জু’মআর নামাজ মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। এদিন মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হন এবং সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় হয়। কুরআনে বলা হয়েছে— “হে ঈমানদারগণ! যখন জু’মআর দিনের নামাজের জন্য আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ত্যাগ কর।” (সুরা জুমআ: ৯)

এদিন গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার, সূরা কাহফ তিলাওয়াত এবং বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা সুন্নত আমল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে আছে— যে ব্যক্তি জু’মআর দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জু’মআর মাঝের সময় আলো বিকিরণ করবে।

ইসলামি আলেমরা বলেন, জু’মআর দিন শুধু সাপ্তাহিক ছুটি নয়, বরং এটি ইবাদত, বরকত ও রহমতের দিন। এদিনের ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করলে দুনিয়া ও আখেরাত উভয়ের কল্যাণ লাভ সম্ভব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Popular Post

মানুষের প্রত্যাশা পূরণে রাজনৈতিক দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জু’মআর দিন সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন

ইসলামী কলাম-

Update Time : ০৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২২ আগস্ট ২০২৫

মাওলানা মুফতি সদর উদ্দিন সিদ্দিকী:

 

ইসলামে জু’মআর দিনকে সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। হাদিসে এসেছে, এই দিনেই হজরত আদম (আ.) সৃষ্টি হয়েছেন, জান্নাতে প্রবেশ করেছেন এবং পৃথিবীতে প্রেরিত হয়েছেন। আবার কিয়ামতও সংঘটিত হবে জু’মআর দিনেই।

ধর্মীয় সূত্রে জানা যায়, জু’মআর নামাজ মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। এদিন মুসল্লিরা একত্রিত হয়ে আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হন এবং সামাজিক সংহতি সুদৃঢ় হয়। কুরআনে বলা হয়েছে— “হে ঈমানদারগণ! যখন জু’মআর দিনের নামাজের জন্য আহ্বান জানানো হয়, তখন তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাকেনা ত্যাগ কর।” (সুরা জুমআ: ৯)

এদিন গোসল করা, পরিষ্কার পোশাক পরা, সুগন্ধি ব্যবহার, সূরা কাহফ তিলাওয়াত এবং বেশি বেশি দরুদ পাঠ করা সুন্নত আমল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে। হাদিসে আছে— যে ব্যক্তি জু’মআর দিনে সূরা কাহফ তিলাওয়াত করবে, তার জন্য দুই জু’মআর মাঝের সময় আলো বিকিরণ করবে।

ইসলামি আলেমরা বলেন, জু’মআর দিন শুধু সাপ্তাহিক ছুটি নয়, বরং এটি ইবাদত, বরকত ও রহমতের দিন। এদিনের ইবাদত যথাযথভাবে আদায় করলে দুনিয়া ও আখেরাত উভয়ের কল্যাণ লাভ সম্ভব।