
Yamaha কোম্পানির আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সামিরা খান মাহি এমন এক নাচ পরিবেশন করেন, যেটা শুধুই বিতর্কিত নয়, বরং লজ্জাজনক। কারণ, তার পোশাক ছিল এতটাই খোলামেলা, এতটাই অশ্লীল, যে শরীরের এমন কোনো অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ছিল না যা দৃশ্যমান ছিল না। বলা যায়, পোশাক ছিল শুধুই নামমাত্র—আসলে তা ছিল শরীর প্রদর্শনের এক নির্মম দৃষ্টান্ত।
অনুষ্ঠানে তার এই নাচ এবং পরিধেয় পোশাক দেখে ছেলেমেয়ে উভয়েই ঘৃণা প্রকাশ করছে। “ছি ছি” করছে সবাই। কেউ বলছেন, তিনি যাত্রাপালার নর্তকীকেও হার মানিয়েছেন, আবার কেউ বলছেন—”কাক ময়ূর হতে চায়”—কিন্তু রুচির দেউলিয়াত্ব তাকে রক্ষা করতে পারেনি।
তাহলে কি এটা শুধুই টাকার খেলা?
এক সময়ের ছোটপর্দার পরিচিত মুখ, যিনি কিছু নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন, তিনি আজ সামান্য কিছু টাকার জন্য নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করবেন, তা ভাবাও কষ্টকর। কিন্তু বাস্তবতা হলো—টাকার নেশা যখন মানুষের বিবেক খেয়ে ফেলে, তখন লজ্জা বলে কিছু থাকে না। তখন শরীরই হয়ে ওঠে বিক্রয়যোগ্য পণ্য।
তাহলে কি এটিই রুচির দুর্ভিক্ষ?
হ্যাঁ, একে ছাড়া আর কিছু বলা চলে না। যদি সামিরার রুচিতে এতটুকু পরিণত বোধ থাকতো, তাহলে তিনি এমন পোশাক পরে এমন অশ্লীল নাচ কখনোই করতেন না।
তাকে দেখে মনে হয়, যেন একজন শিল্পী নয়, বরং একজন পণ্য, যে নিজেকে টাকার বিনিময়ে নিলামে তুলেছে। এই যদি হয় বিনোদনের নতুন সংজ্ঞা, তাহলে সমাজের ভবিষ্যৎ যে কতটা অন্ধকার, তা সহজেই অনুমান করা যায়।
এ ঘটনা কেবল একজন মাহিকে নিয়ে নয়, বরং পুরো সমাজের রুচি, সংস্কৃতি আর মূল্যবোধ নিয়ে বড় একটা প্রশ্ন তুলে দেয়।
সামিরা শুধু নিজের সম্মান নয়, বিনোদন মাধ্যমের বিশ্বাসযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। আজকের এই সময় আমাদেরকে ভাবতে শেখাচ্ছে—আমরা কোথায় যাচ্ছি? কেন আমরা প্রতিনিয়ত বিবস্ত্রতার প্রতিযোগিতায় নামছি?

Reporter Name 














